
কাতারে নির্মাণাধীন ভবন ধসে শরীফ মিয়া (৪১) নামে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ার এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। সে জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার পৌর সদরের চরলক্ষীয়া গ্রামের মোমতাজ উদ্দিনের ছেলে।
নিহত শরীফের বড় ভাই রসুল মিয়া জানান, রোববার ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার দিকে প্রচণ্ড ঘূর্ণিঝড় শুরু হলে নিরাপদ স্হানে যাওয়ার সময় নির্মাণাধীন একটি ভবন ধসে তার নিচে চাপা পড়ে শরীফ মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান।
শরীফ মিয়া বিবাহিত। বাড়িতে তার স্ত্রী সুফিয়া খাতুন ছাড়াও শাপলা এবং নাদিরা নামে দুই মেয়ে ও সজিব নামে এক ছেলে সন্তান রয়েছে। সে সংসারের অভাব ঘুচাতে ২০১৯ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে কাতার যান। সেখানে স্ট্যাট অফ কাতারের ভবন নির্মাণ কর্মীর কাজ নেন।
নির্মাণাধীন ভবন দুর্ঘটনায় শরীফ মিয়া নিহত হয়ার খবরে তার গ্রামের বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। তার বাবা মোমতাজ উদ্দিন ও মা জহুরা খাতুন এবং স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে ও স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে ওঠেছে এলাকার পরিবেশ।
জানা গেছে, শ্বশুর বাড়িতে জমি বন্ধক রেখে ১ লাখ এবং তিনটি এনজিও থেকে চড়া সুদে ৩ লাখ টাকা নিয়ে দরিদ্র কৃষক পরিবারের সন্তান শরীফ মিয়া কাতার যান। তার বাবা মোমতাজ উদ্দিন শেষবারের মতো প্রাণ প্রিয় সন্তান শরীফকে একনজর দেখতে লাশ দেশে পাঠাতে এবং পরিবার ও সন্তানসন্ততির ভরণপোষণের জন্য ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্হা করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন।









