• প্রচ্ছদ
  • »
  • বাংলাদেশ
  • »
  • ভারতে কিশোরগঞ্জের তরুণীকে নির্যাতন: বস রাফি ও আরমানের দোষ স্বীকার

ভারতে কিশোরগঞ্জের তরুণীকে নির্যাতন: বস রাফি ও আরমানের দোষ স্বীকার

সাতকাহন ডেস্ক
ডান থেকে আশরাফুল মন্ডল ওরফে বস রাফি এবং আব্দুর রহমান শেখ ওরফে আরমান। ছবি: সংগৃহীত

সম্প্রতি ভারতে কিশোরগঞ্জের এক তরুণীর ওপর নির্যাতনের মামলায় আন্তর্জাতিক নারী পাচার চক্রের অন্যতম হোতা আশরাফুল মন্ডল ওরফে বস রাফি এবং আব্দুর রহমান শেখ ওরফে আরমান আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। একই মামলায় ইসমাইল সরদার ও সাহিদা বেগম ওরফে ম‌্যাডাম সাহিদাকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর হাতিরঝিল থানার দায়ের করা মানবপাচার ও পর্নোগ্রাফি আইনের মামলায় আসামিদের আদালতে হাজির করেন তদন্ত কর্মকর্তা হাতিরঝিল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ফারুক। বস রাফি এবং আব্দুর রহমান স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড এবং ইসমাইল সরদার ও সাহিদা বেগমকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীম বস রাফির এবং আরেক মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদার আব্দুর রহমানের জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদের আদালত ইসমাইল সরদার ও সাহিদা বেগমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২ জুন ওই আসামিদের পাঁচ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

ভারতে নারী পাচার ও নির্যাতনের ঘটনায় উল্লিখিত চারজনকে সম্প্রতি গেপ্তার করা হয়।

সম্প্রতি ভারতে চার-পাঁচজন মিলে এক তরুণীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। ভিডিওটি সাইবার মনিটরিং টিমের নজরে এলে পুলিশ অনুসন্ধান শুরু করে। পরে নির্যাতক হিসেবে রিফাতুল ইসলাম ওরফে ‘টিকটক হৃদয়’কে শনাক্ত করে পুলিশ। তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা যায়, চার মাস আগে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে তাকে।

পরে পুলিশ কৌশলে হৃদয়ের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে যোগাযোগ করে জানতে পারে, সে মাস তিনেক আগে ভারতে গেছে। মেয়েটিকে নির্যাতন করার সময় তার সঙ্গে ছিল তারই কয়েকজন বন্ধু। নির্যাতনের শিকার মেয়েটির বাড়ি কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলায়। তবে পরিবারের সঙ্গে ঢাকায় হাতিরঝিল এলাকায় বাস কররতে সে।

পরে টিকটক হৃদয়সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মানবপাচার ও পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা দায়ের করেন ওই তরুণীর বাবা।