
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার খামা বিল এলাকায় ঐতিহ্যবাহী গরুর হাল দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
পুরাতন বছরকে বিদায় জানাতে এবং নতুন বছরকে বরণ করে নিতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে এলাকাবাসী। গরুর হাল দৌড় প্রতিযোগিতা দেখতে খামা বিলপাড়ে হাজারো মানুষ ভিড় জমায়।
বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই পাকুন্দিয়া উপজেলার এগারসিন্দু ইউনিয়নে খামা বিল এলাকায় গরুর হাল দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে নানা রং ও আকারের হালের গরু মাঠে নিয়ে আসেন প্রতিযোগিতারা।
প্রতিযোগিতার নিয়ম অনুসারে প্রতি জোড়া হালের গরুর পেছনের মইয়ের ওপর দাঁড়িয়ে একজন কৃষক তাড়িয়ে নিয়ে যান। আর যে জোড়াটি সবচেয়ে কম সময়ে নির্ধারিত যাত্রাপথ পাড়ি দিতে পারবে- সেটিই হবে প্রতিযোগিতার সেরা, জিতে নেবে বিজয়ের পুরস্কার। এতে অংশ নেয় ১১ জোড়া হালের গরু।
স্থানীয় যুব সমাজের আয়োজনে এ হাল দৌড় প্রতিযোগিতাঅনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকরা জানান, আমরা এখন থেকে প্রতি বছরই হাল দৌড়ের আয়োজন করে ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে চেষ্টা করব।
হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এমন আয়োজনে খুশি এলাকার সর্বস্তরের মানুষ।
মঠখোলা নামা বাজারের সভাপতি মো. স্বপন মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাকুন্দিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মো.রফিকুল ইসলাম রেণু। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ সদস্য মো হাদিউল ইসলাম হাদি, মঠখোলা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম স্বপন ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ইব্রাহিম হোসেন, উপজেলা ছাত্রলগী নেতা মজিবুর রহমান সোহাগ, ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল হক প্রমুখ।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু নিয়ে আসা লোকজন ১১টি দলে বিভক্ত হয়ে হাল দৌড়ে অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন বাদল মিয়া তিনি পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন একটি ষাড়। দ্বিতীয় হয়েছেন মোহাম্মদ রফিক তিনি পেয়েছেন একটি বাইসাইকেল। তৃতীয় স্থান অধিকারী আবদুল কাদির তিনি পেয়েছেন একটি খাসি।
এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক হালকে সান্ত্বনা পুরস্কার দেওয়া হয়।









