
দেশের বিশিষ্ট ইসলামি চিন্তাবিদ, কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শহীদী মসজিদের খতীব, আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া কিশোরগঞ্জ-এর মুহতামিম এবং বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া (বেফাক)'র সহ-সভাপতি দেশ বরেণ্য আলেম আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ ( রহ.) আর নেই।
তিনি ঢাকার ধানমণ্ডি শংকর শাখা ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বুধবার মাগরিবের নামাজের আগে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ (ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) করেছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন, গুণগ্রাহী ও শুভার্থী রেখে গেছেন।
রাত সাতটার দিকে পরিবার-স্বজন ও নিকটাত্মীয়রা তার মরদেহ নিয়ে কিশোরগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওয়ানা করেকরেছেন। তার মেয়ের জামাতা মাওলানা জালালুল ইসলাম এবং নিকটাত্মীয় আলহাজ্ব কাজী শাহীন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার বাদ জোহর শহরের ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দান তার নামাযে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানান তারা।
এ জানাজায় হাটহাজারি মাদ্রাসার মহাপরিচালক, কওমী মাদ্রাসা বোর্ড চেয়ারম্যান আল্লামা শাহ আহমদ শফী ইমামতি করার কথা রয়েছে।
তার মৃত্যুতে কিশোরগঞ্জে শোকের ছায়া নেমে আসে।
জানা গেছে, আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ'র খাদ্য নালিতে টিউমার হওয়ায় বেশ কিছুদিন যাবৎ খাদ্য গ্রহণ ও কথা বলতে অসুবিধা হতো। কিছুদিন আগে তার ঘাড়ে টিউমারের অপারেশন হয়।
গত মাসে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্যাংকক পাঠানো হয়। সুস্থতা বোধ করলে সেখান থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার কিছুদিনের মধ্যেই তিনি আবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে গত শুক্রবার ইবনে সিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বুধবার সকাল থেকে তাকে ওই হাসপাতালের আইসিইউ'তে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছিল।
আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ"র পিতা মাওলানা আতাহার আলী (রঃ) ছিলেন উপমহাদেশের বিখ্যাত হাদীস বিশারদ, আধ্যাত্মিক আলেম ও রাজনীতিক।
তিনিই কিশোরগঞ্জ শহরের আল জামিয়াতুল ইমদাদিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।









